Monerul's Blog
Monday, December 18, 2023
The World Bank In Bangladesh
Bangladesh has a strong track record of growth and development, even in times of elevated global uncertainty. A robust demographic dividend, strong ready-made garment (RMG) exports, resilient remittance inflows, and stable macroeconomic conditions have supported rapid economic growth over the past two decades.
Saturday, March 24, 2018
Cancer control fish oil
Logical investigations have discovered that fish oil can anticipate and execute different malignancies, including colon, prostate, and bosom. (13) Not just has looked into demonstrated that it makes customary tumor tranquilizes more compelling, but on the other hand, it's a viable remain solitary treatment in common growth treatment.
A logical audit distributed in 2013 took a gander at omega-3 polyunsaturated unsaturated fats and prostate tumor counteractive action. Analysts presumed that there's a lot of confirmation recommending that omega-3s have antiproliferative impacts – which implies they hinder disease cell development – in malignancy cell lines, creature models, and people. Also, the "immediate impacts on malignancy cells" and aberrant mitigating consequences for the insusceptible framework battling disease likely add to the capacity of omega-3 unsaturated fats to hinder tumor development. (14)
A gathering out of India led an examination distributed in Cancer Chemotherapy and Pharmacology in light of the commence that "fish oil rich in n-3 polyunsaturated unsaturated fats has been wanted to chemosensitize tumor cells to hostile to disease sedates." The investigation found that utilizing 5-Fluorouracil (5-FU) to treat colorectal malignancy alongside fish oil expanded the survival rate in cancer-causing agent treated creatures. Scientists likewise found that the fish oil improved hematologic wretchedness, alongside gastrointestinal, hepatic and renal poisonous quality caused by the 5-FU. (15)
A logical audit in 2014 assessed think about discoveries on omega-3 allow in connection with the counteractive action and treatment of a bosom tumor, the most common malignancy among ladies. The audit found that EPA and DHA, and in addition ALA, can differentially repress bosom tumor advancement. As per this audit, there is strong confirmation to help the utilization of omega-3s as "a wholesome mediation in the treatment of the bosom tumor to improve ordinary therapeutics, or possibly bringing down compelling measurements." (16) Additionally, a recent report found that "high fish utilization in early adulthood to midlife might be related to the diminished danger of bosom growth." (17)
Fish oil likewise appears to be useful for another kind of malignancy experienced by ladies: endometrial disease. A logical report as of late distributed in the American Journal of Clinical Nutrition finds that "long chain omega-3 consumption related to diminished endometrial disease hazard just in typical weight ladies." (18)
Joint pain control fish oil
An 18-month contemplate was distributed in 2014 that assessed how borage seed oil — rich in GLA — and fish oil rich fared against each other in treating patients with rheumatoid joint inflammation. It was found that each of the three gatherings (one taking fish oil, one taking borage oil and one taking a mix of the two) "displayed huge decreases" in malady movement, and no treatment beat the others. For each of the three, "important clinical reactions" were the same following nine months. (11)
This is awesome news for both fish and borage oil with regards to joint inflammation patients, yet it's basic to stress that the outcomes were the same since taking an excessive number of supplements is basically a misuse of cash.
Another investigation likewise demonstrated that omega-3 fish oil supplements worked similarly and in addition NSAIDs in diminishing joint torment and are a more secure contrasting option to NSAIDs. (12)
Fish Oil May Help Treat Certain Mental Disorders
Your cerebrum is comprised of almost 60% fat, and quite a bit of this fat is omega-3 unsaturated fats. Consequently, omega-3s are fundamental for ordinary cerebrum work (27, 28).
Indeed, a few examinations have demonstrated that individuals with the certain psychological issue have brought down omega-3 blood levels (29, 30, 31).
Strikingly, thinks about have demonstrated that fish oil supplementation can keep the beginning or enhance the side effects of some psychological issue. For instance, it can lessen the danger of maniacal issue in the individuals who are in danger (32, 33).
Moreover, supplementing with fish oil in high dosages can decrease a few side effects of both schizophrenia and bipolar issue (33, 34, 35, 36, 37, 38).
Thursday, December 15, 2016
Dhaka University ৩য় পর্ব
আবার
আপনাদেরকে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বলব........
রাজনৈতিক ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর Dhaka University কর্মকান্ডে পরিবর্তন আসে। ওই বছর পূর্ববাংলার শিক্ষা অর্ডিন্যান্স Dhaka University এর আবাসিক-কাম শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে কলেজ অধিভুক্তির এখতিয়ার যুক্ত করলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ৫৫টি কলেজের এফিলিয়েশন ও তত্ত্বাবধানের ভার এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ন্যস্ত হয়।
পূর্ব পাকিস্তান সরকার অফিস ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বাড়ি দখল করে নেয়। এতে করে বাসস্থান সমস্যার সৃষ্টি হয়। পাকিস্তান সরকার এসব সমস্যার ব্যাপারে উদাসীন ছিল, কারণ ছাত্ররাজনীতি বন্ধের লক্ষ্যে তারা বিশ্ববিদ্যালয়টিকে শহরের বাইরে স্থানান্তরে সচেষ্ট ছিল। ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খান কর্তৃক ক্ষমতা দখলের আগেই পূর্ব পাকিস্তানে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনা ও স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১৯২০ সালের আইনে প্রদত্ত একাডেমিক স্বাধীনতা ও ঐতিহ্যের বিপরীতে ১৯৬১ সালের অর্ডিন্যান্স জারি করে। কালাকানুন হিসেবে চিহ্নিত এ অর্ডিন্যান্স বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।Dhaka University এর ছাত্রদের উদ্যোগেই গড়ে উঠে ১৯৬৮ সালের এগারো দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। পরবর্তী সামরিক সরকার সারা দেশব্যাপী নির্যাতন ও ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করলে ১৯৭১ সালে বাঙালির মুক্তির লক্ষ্যে দেশের জনগণের সঙ্গে এক হয়ে ছাত্ররা দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী স্বাধীনতা যুদ্ধে লিপ্ত হয়।স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়; মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় নতুন দিগন্তের। শিক্ষক ও ছাত্রদের স্বাধীনভাবে পড়ালেখা ও জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ রদ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ জারি করে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুজ্জীবিত হয়। স্বাধীনতা উত্তরকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকদের সংখ্যা অভাবনীয়রূপে বৃদ্ধি পায়। ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ কর্মচারীদের বাসস্থান, শ্রেণীকক্ষ ও গবেষণাগারের জন্য স্থান সংকুলানের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতা সম্প্রসারণ করা হয় এবং এজন্য বর্ধিত আকারে অর্থ বরাদ্দও করা হয়।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত কোর্সসমূহ ছিল বি.এ, বি.এসসি (পাস ও অনার্স), এম.এ, এম.এসসি, এল.টি, বি.টি, বি.এল, পিএইচ.ডি, এবং ডিএস.সি। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন নতুন কোর্স প্রণয়ন, বিভাগ সৃষ্টি ও অনুষদ প্রতিষ্ঠার ফলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। ডিগ্রি ও সমমানের ৫৫টি অধিভুক্ত কলেজের তদারকির দায়িত্বও Dhaka University ওপর ন্যস্ত হয়। উল্লেখ্য যে, ১৯৫২ সাল থেকে সাধারণ স্নাতক ডিগ্রির জন্য নির্ধারিত বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে পড়ানোর ব্যবস্থা চালু করা হয়। ১৯৫৪ সালে Dhaka University এর অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৫। ১৯৫৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৭টি কলেজকে অধিভুক্ত করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর তৎকালীন চট্টগ্রাম বিভাগের কলেজগুলিকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৯৪ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এক ঘোষণাবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
তবে বর্তমানে Dhaka University এর অধীনে ৭৪টি অঙ্গীভুত
(Constituent) কলেজ ও ইনস্টিটিউট (২২টি সরকারি ও ৫২টি বেসরকারি) রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৬১টিতে ডেন্টাল, নার্সিং, ফিজিওলজি, হোমিওপ্যাথি, ইউনানি ও আর্য়ুবেদিকসহ চিকিৎসা বিজ্ঞান, ৪টি গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং ৯টি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
ঐতিহ্যবাহী Dhaka University এর বর্তমান চত্বর এবং এর ছাত্র-শিক্ষকরা বাঙালি জাতির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় বহুলাংশে সাফল্যের দাবিদার। লীলা নাগের ১৯২১ সালে এম.এ কোর্সে যোগদান অথবা ১৯৩৫ সালে করুণাকণা গুপ্তের মহিলা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগকে সেই সময়ে সাহসী পদক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করা হলেও বর্তমানে ১০,০০০ ছাত্রী ও কয়েক শত নারী শিক্ষকের নিয়োগ আজ আর কোনো বিস্ময়ের ব্যাপার নয়। শিক্ষা ও জ্ঞানের সকল ক্ষেত্রে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
এটি আজ অবধারিত যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কতিপয় হিন্দু নেতার ধারণা অনুযায়ী শুধুই মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় নি, বরং দেশ বিভাগের আগে এখানে ৮০% ছাত্র-শিক্ষকই ছিলেন হিন্দু।
যেসব মনীষীর অবদানে বিশ্ববিদ্যালয়টির ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এ.সি টার্নার, জি.এইচ ল্যাংলী, হরিদাস ভট্টাচার্য, এ.এফ রহমান, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ, ফিদা আলী খান, ডব্লিউ.এ জেঙ্কিন্স, পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোস (এস.এন বোস), ইতিহাসবিদ রমেশচন্দ্র মজুমদার, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, মোঃ আবদুল হাই, মুনির চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, সিরাজুল হক, জি.সি দেব, জে.সি ঘোষ, এ.বি.এম হাবিবুল্লাহ, মোকাররম হোসেন খন্দকার, কাজী মোতাহার হোসেন, সুশিল কুমার দে (এস.কে দে), এ.কে নাজমুল করিম, আহমদ শরীফ, নীলিমা ইব্রাহীম, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, আবদুর রাজ্জাক, এম.আর তরফদার প্রমুখ।
কেন্দ্রীয় মসজিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা চলে বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের সূতিকাগার। এ প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই উৎসারিত হয়েছে পূর্ববাংলার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি এ বিশ্ববিদ্যালয় বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম সহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব দিয়ে জাতীয় প্রত্যাশা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ভাষা আন্দোলন, উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়েছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী। মুক্তিযুদ্ধকালে পাক-সরকারের বুদ্ধিজীবী নিধন পরিকল্পনার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যাপলয়ের ১৯ জন শিক্ষক। ২৫ মার্চ রাতে আরো শহীদ হন ১০৪ জন ছাত্র, ১ জন কর্মকর্তা ও ২৮ জন কর্মচারী।
১৯৭১ সালের ২ মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনের পশ্চিমগেটের দোতলার ছাদের উপর প্রথম ‘স্বাধীন বাংলার পতাকা’ উত্তোলন করে। ৭১’-এর ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামে অতর্কিতে Dhaka University এর ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপর হামলা করলে অনেকে শহীদ হন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য উপাচার্য ভবনের সম্মুখস্থ সড়ক দ্বীপে ২৬ মার্চ ১৯৯৪ তারিখে উদ্বোধন করা হয় ‘বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলক’। এই স্থিতিফলকে ১৯ জন শিক্ষক, ১০৪ জন ছাত্র, ১ জন কর্মকর্তা, ২৮ জন কর্মচারীসহ ১৫০ জন শহীদের নাম লিপিবদ্ধ হয়েছে।
মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে ‘ডাকসু’ কলাভবনের সামনে ১৯৭২ সালে ‘অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর্য স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। টিএসসি সড়ক দ্বীপে ১৯৮৮ সালে শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি। স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছাড়াও বায়ান্নর মহান ভাষা দিবস, ছেষট্টির স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, উনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থান প্রাধান্য পেয়েছে এ ভাস্কর্যে। এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে উৎসর্গকৃত সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য (১৯৯৭)।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী অনন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১১ প্রদান করা হয়। এছাড়াও এ পর্যন্ত ১৯ জন শিক্ষককে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। তাঁরা হলেন: ড. মোকাররম হোসেন খন্দকার, রসায়ন বিভাগ (মরণোত্তর), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (১৯৭৭); ড. কাজী মোতাহার হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যা (১৯৭৯); ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বাংলা বিভাগ, (মরণোত্তর) শিক্ষা (১৯৮০); শহীদ মুনীর চৌধুরী, বাংলা বিভাগ (মরণোত্তর) সাহিত্য (১৯৮০); ড. সিরাজুল হক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, শিক্ষা (১৯৮৩); অধ্যাপক মফিজ-উদ-দীন আহমেদ, রসায়ন বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যা (১৯৮৬); আমিনুল ইসলাম, চারুকলা অনুষদ, চারুকলা (১৯৮৮); অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (১৯৯০); অধ্যাপক কাজী জাকের হোসেন, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, শিক্ষা (১৯৯২); প্রফেসর মোঃ ইন্নাস আলী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (১৯৯০); শফিউদ্দীন আহমেদ, চারুকলা অনুষদ, চারুকলা (১৯৯৬); অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, ইংরেজি বিভাগ, শিক্ষা (১৯৯৭); অধ্যাপক এ কিউ এম বজলুল করিম, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ, শিক্ষা (১৯৯৯); অধ্যাপক এ.এফ সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইতিহাস বিভাগ, শিক্ষা (১৯৯৯), প্রফেসর মোহাম্মদ কিবরিয়া, চারুকলা অনুষদ, চারুকলা (১৯৯৯); সরদার ফজলুল করিম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, শিক্ষা (২০০০), ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব (মরনোত্তর), দর্শন বিভাগ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ (২০০৮), অধ্যাপক রেহমান সোবহান, অর্থনীতি বিভাগ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ (২০০৮), শিল্পী মু. আবুল হাশেম খান, চারুকলা অনুষদ, সংস্কৃতি (২০১১)।
স্বাধীনতার পরবর্তী Dhaka Universityঃ
স্বাধীনতার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিকায়ন ও শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য উন্নতমানের পরিকল্পনা গ্রহণ, বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত বিদ্যার প্রসার ঘটিয়ে দেশের মানব সম্পদের বিকাশের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়। এ লক্ষ্যে কয়েকটি নতুন বিভাগ খোলা হয়। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী ত্রিশটি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্রের সাথে এর সহযোগিতা চুক্তি হয়েছে।
SAARC ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এ বিশ্ববিদ্যালয় একটি অতি উন্নত শিক্ষাক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত। বেশ কয়েকটি দেশ থেকে প্রতি বছর ছাত্ররা এখানে ভর্তি হয়।
প্রথম থেকেই ছাত্রদের দৈহিক ও মানসিক গঠনের লক্ষ্যে জিমনাস্টিকস ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং সকল সুস্থদেহী ছাত্র-ছাত্রীর জন্য খেলাধুলা ও ব্যায়াম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বরাবরই বিশ্ববিদ্যালয় দল বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
১৯২৩ সালে
University Officers Training Corps (UOTC) গঠন করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৪০ সালের
Territorial Forces Act অনুযায়ী ১৯৫০ সালে গঠিত হয় UOTC ব্যাটালিয়ন। ছাত্রদের বিনা বেতনে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। ওই সকল প্রশিক্ষণ সমন্বয়ের জন্য ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ক্যাডেট কোর
(BNCC) গঠন করা হয়। ১৯৬৬ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয় রোভার স্কাউট অ্যাসোসিয়েশন এবং পরবর্তীকালে ছাত্রীদের রেঞ্জার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্রদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, লেখাপড়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভর্তির ব্যাপারে সহায়তার জন্য ১৯৫২ সালে
Dacca University Students Information Bureau খোলা হয়। ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধি এবং হলগুলিতে পাঠক্রম বহির্ভূত বিদ্যা আহরণের স্থান ও উপকরণের স্বল্পতাহেতু একটি আনুষ্ঠানিক পরামর্শ কেন্দ্র খোলার তাগিদ অনুভূত হয়। সেই লক্ষ্যে ১৯৬১ সালে একজন পরিচালকের দায়িত্বে ছাত্রবিষয়ক বিভাগ খোলা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৬৬ সালে আলাদা ভবন নির্মাণ করা হলে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের
(TSC) সাথে একীভূত হয়। ফলে একই কমপ্লেক্সে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চা সম্ভব হয়। এ কমপ্লেক্সে রয়েছে একটি ক্যাফেটরিয়া, এক হাজার আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়াম, ২টি সেমিনার কক্ষ, ভিজিটিং শিক্ষকদের জন্য অতিথি ভবন, একটি গ্রন্থাগার, পাঠকক্ষ, চারুকলা ও সঙ্গীতের কক্ষ এবং একটি মঞ্চ। আরও রয়েছে সুইমিং পুল, একটি মনোহারী দোকান, বইয়ের দোকান, ব্যাংক, অন্যান্য সুবিধা ও চিত্তবিনোদনের মাধ্যম। ঢাকা শহরের অন্যতম বৃহদায়তন উক্ত অডিটোরিয়ামে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ বিষয়ক কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।
নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেটভবন নির্মাণ করা হয় ২০০৭ সালে। এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত ৪৮০ আসন বিশিষ্ট একটি মনোরম অডিটোরিয়াম, ২০০ আসন বিশিষ্ট একটি সেমিনার কক্ষ এবং লাল, সবুজ এবং নীল তিনটি লবি। এ ভবনেরই নিচের তলায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন অবস্থিত।
এসোসিয়েশনের কার্যালয় ছাড়াও এখানে রয়েছে একটি সেমিনার রুম ও একটি শরীরচর্চা কেন্দ্র। শিক্ষিত যুবকদের চাকরির সংস্থানের জন্য ১৯৩৯-৪০ সালে
Dhaka University Employment Bureau খোলা হয়।
শুরুতে ঢাকা কলেজ ও ঢাকা ল’ কলেজ হতে প্রাপ্ত ১৮,০০০ বই নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার স্থাপন করা হয়েছিল। এম.ফিল ও পিএইচ.ডি কোর্সের গবেষণা বিষয়ক পান্ডুলিপির সংগ্রহ গ্রন্থাগারটি প্রসারের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। লন্ডন-ভিত্তিক ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরি বিভিন্ন ধরনের বিরল বই উপহার দিয়ে থাকে। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সংগৃহীত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৬৫০০০০ এবং প্রাচীন পান্ডুলিপির সংখ্যা প্রায় ত্রিশ হাজার। এছাড়া রয়েছে একটি বিজ্ঞান গ্রন্থাগার, যেটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের একটি শাখা। বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও ফার্মেসি অনুষদের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও গবেষকগণ এটি ব্যবহার করে থাকেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক, কর্মকর্তাকর্মচারী এবং তাদের পরিবারকে বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে। বর্তমানে এখানে ৩০ জন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। সাধারণ চিকিৎসা ছাড়াও এখানে রয়েছে ডেন্টাল ইউনিট, আই ইউনিট, এক্স-রে বিভাগ এবং প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার সুবিধা।
পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলার উৎকর্ষ সাধন এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে সুস্থ-সবল জনগোষ্ঠী সৃষ্টির লক্ষ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ছাড়াও রয়েছে একটি আধুনিক সুইমিং পুল কমপ্লেক্স। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিবছর আন্তঃবিভাগ, আন্তঃহল, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রায় সব ধরনের খেলাধুলার ব্যবস্থা করে থাকে।
বি.দ্রঃ
ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃস্টিতে দেখবেন।কোথাও কোন কিছু যোজন বা বিয়োজনের
প্রয়োজনের হলে কমেন্টে জানাবেন।
(এর
পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতি সময় নিয়ে আলেচনা করবো)
চলবে....................
Subscribe to:
Comments (Atom)

